পিংক লবণ কী?

হিমালয় লবণ বা হিমালয়ন লবণ বা গোলাপি লবণ বা শিলা লবণ যা পাকিস্তানের পাঞ্জাব অঞ্চল থেকে খনন করা হয়। এই লবণে প্রায়শই খনিজ পদার্থের কারণে গোলাপী আভা থাকে, এটি প্রাথমিকভাবে বিশুদ্ধ খাবার লবণ হিসাবে ব্যবহৃত হয়, তবে রান্না এবং খাবার তৈরি, লবণ বাতি এবং লবণ পানি দিয়া চিকিৎসার জন্যও ব্যবহৃত হয়। প্রধানত হিমালয়ান সল্ট সোডিয়াম ক্লোরাইড নিয়ে গঠিত। তবে এতে সালফেট, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ফসফরাস, কপার, জিংক, সেলেনিয়াম, আয়োডিন এবং ফ্লোরাইডসহ প্রায় ৮০টির মত উপাদান থাকে।

পিংক লবণের উপকারিতা :
০১. পিংক লবণ এলডিএল অর্থাৎ খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। যদি আপনার কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে যায়, তবে আপনি পিংক লবণ খেতে পারেন।
আপনি সাধারণ লবণের পরিবর্তে এটি ব্যবহার করতে পারেন।
০২. ওজন কমাতে পিংক লবণ খাওয়া যেতে পারে। এজন্য হালকা গরম পানিতে এই লবণ ও লেবুর রস মিশিয়ে নিতে হবে। এটি খেলে ওজন দ্রুত কমে যায়।
০৩. পিংক লবণ ও লেবু খেলে মেটাবলিক রেট ভালো থাকে। এটি পরিপাকতন্ত্রকেও সুস্থ রাখে।
০৪. এ ছাড়াও আপনি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পিংক লবণ খেতে পারেন। এটি রক্তচাপের ওপর দারুণ প্রভাব ফেলে।
০৬. পিংক লবণ শরীরের ব্যথা এবং হাড়ের ব্যথার জন্যও উপকারী।
০৭. প্রতিদিন পিংক লবণ খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে। এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী।
০৮. অ্যাজমা এবং আর্থ্রাইটিস রোগীদের সাধারণ লবণের পরিবর্তে এই লবণ খাওয়া উচিত। এটি একটি আয়ুর্বেদিক ঔষুধের মতো কাজ করে।
০৯. এটি আপনার শরীরে পানির অভাব হতে দেয় না। এটি আপনাকে হাইড্রেটেড রাখে।
১০. এটি আপনার শক্তি বাড়ায়। কারণ এই লবণে রয়েছে শক্তি বৃদ্ধিকারী খনিজ উপাদান।
১১. এটি হার্টকেও সুস্থ রাখে। এটি হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমায়।
১২. পিংক লবণ হাড়কে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। এতে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের মতো বেশ কিছু খনিজ উপাদান রয়েছে, যা হাড়ের গঠন ও ঘনত্বের জন্য
গুরুত্বপূর্ণ।

Support Assistant

Support Assistant

Leave a Replay

বিভিন্ন অফার পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

শর্ত সাপেক্ষ*